২০০৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়েই নিজেদের আগমনী ঘোষণা দিয়েছিল আয়ারল্যান্ড। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না, হেরেছে কানাডার বিপক্ষেও। তবে শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে পেয়েই ‘জায়ান্ট কিলার’ সত্তাটা জেগে উঠেছিল আইরিশদের। ব্যাটারদের এনে দেয়া স্বল্প রানের লক্ষ্যটাই আয়ারল্যান্ডের বোলাররা পাকিস্তানের জন্য পাহাড়সমান করে তোলেন। শেষ পর্যন্ত বাবর আজমের দৃঢ়তা ও শাহিনের ঝড়ে জয় পায় পাকিস্তান।

আয়ারল্যান্ডের দেয়া ১০৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলীয় ২৩ রানের মাথায় সাইম আউবের উইকেট হারায় পাকিস্তান। দলীয় ৩৯ রানের মাথায় উইকেটকিপার মোহাম্মাদ রিজওয়ান আউট হয়ে যান। এরপর নিয়মিত বিরতীতে উইকেট হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে যাওয়ার শঙ্কা জাগে দলটির। তবে অধিনায়ক বাবর আজমের ব্যাটিং দৃঢ়তায় জয় পায় পাকিস্তান। তিনি ৩৪ বল থেকে ৩২ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান।

এর আগে ফ্লোরিডার লডারহিলে সেন্ট্রাল ব্রোওয়ার্ড পার্ক রিজিওনাল স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান। ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান আয়ারল্যান্ডকে।

ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ডকে শুরুতেই কোণঠাসা করে ফেলে পাকিস্তানের পেসাররা। স্কোরকার্ড চালু হওয়ার আগেই আইরিশদের প্রথম উইকেট তুলে নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। অ্যান্ডি বালবির্নিকে (৩ বলে ০) বোল্ড করে দেন বাঁহাতি এই পেসার। ইনিংসের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে লরকান টাকারের উইকেটও তুলে নেন শাহিন। তখন আইরিশদের স্কোরকার্ডে মাত্র ২ রান। পরের ওভারে বল করতে এসে অধিনায়ক পল স্টার্লিংকে (২ বলে ১) সাজঘরের পথ দেখান মোহাম্মদ আমির। বাঁহাতি এই পেসারের বলে উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ হন স্টার্লিং।

বিশ্বকাপের ‘এ’ গ্রুপ থেকে ভারতের সঙ্গে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র উঠেছে সুপার এইটে। বিদায় নিয়েছে পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড এবং কানাডা। আগের ম্যাচে ফ্রোরিডায় যুক্তরাষ্ট্র এবং আয়ারল্যান্ড ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার কারণে মাঠে না নেমেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায় পাকিস্তানের।